প্রারম্ভিক পরামর্শসভার সংক্ষিপ্ত তথ্য

বিষয়: শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশীদারিত্বমূলক কর্মসূচি

তারিখ: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬, মঙ্গলবার

স্থান: এলজিইডি-আরডিইসি মিলনায়তন (লেভেল-১২), আগারগাঁও, ঢাকা।

কর্মসূচি সম্পর্কিত উপস্থাপনা:

জনাব ফরিদ আহমেদ, কর্মসূচি পরিচালক, দূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশীদারিত্বমূলক কর্মসূচি, পরিবেশ অধিদপ্তর

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনা:

অধ্যাপক প্রাণ গোপাল দত্ত, প্রাক্তন উপাচার্য, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়

বিশেষ অতিথি:

জনাব আবদুল্লাহ আল মোহসীন চৌধুরী, অতিরিক্ত সচিব, পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়

প্রধান অতিথি:

কামাল উদ্দিন আহমেদ, সচিব, পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়

সভাপতি:

জনাব মোঃ রইছউল আলম মন্ডল, মহাপরিচালক, পরিবেশ অধিদপ্তর

ধন্যবাদ জ্ঞাপন:

জনাব কাজী সারওয়ার ইমতিয়াজ হাশমী, অতিরিক্ত মহাপরিচালক, পরিবেশ অধিদপ্তর

উন্মুক্ত আলোচনা সঞ্চালনা:

ড. সুলতান আহমেদ, পরিচালক, পরিবেশ অধিদপ্তর

কর্মসূচি সম্পর্কিত উপস্থাপনা

জনাব ফরিদ আহমেদ, কর্মসূচি পরিচালক, দূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশীদারিত্বমূলক কর্মসূচি, পরিবেশ অধিদপ্তর সকলকে ধন্যবাদ এবং সালাম জানিয়ে তার বক্তব্য শুরু করেন। তিনি বলেন, শব্দ যোগাযোগের একটি মাধ্যম। এ শব্দই যখন মাত্রা অতিক্রম করে, তখন তা দূষণে রূপ নেয়। নগরায়ন, শিল্পায়ন, মানুষের দৈনন্দিন কাজকর্ম, যানবাহন, যান্ত্রিক/বৈদ্যুতিক সরঞ্জামের অপরিকল্পিত ব্যবহার এবং অব্যবস্থাপনার ফলে শব্দের মাত্রা অসহনীয় হলে তা মানব স্বাস্থ্য ও পরিবেশের উপর বিরূপ প্রভাব ফেলে। ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরীতে এ মাত্রা অনেক বেশি। ঢাকার জরিপ থেকে দেখা গেছে, নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে ১৩-৪০ ডেসিবেল বেশি। পরিবেশ দূষণের ফলে মাথা ধরা, শ্রবণ শক্তি হ্রাসসহ প্রায় ৩০ টি কঠিন রোগের সৃষ্টি হয় এর মধ্যে শব্দদূষণ অন্যতম কারণ। শিশু, বৃদ্ধ, বিশেষ করে হৃদরোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা শব্দদূষণের ঝুঁকিতে বেশি থাকেন।

এ সকল দিক বিবেচনায় সরকার শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে ‘শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা ২০০৬’ জারি করেছে। শব্দদূষণ এবং এর প্রভাব সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃষ্টি ও সকল অংশীদারদের সক্রিয় করে শব্দ দূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা ২০০৬ বাস্তবায়নে পরিবেশ অধিদপ্তর ‘শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশীদারিত্বমূলক কর্মসূচি’ গ্রহণ করেছে। এর বাস্তবায়নকারী দপ্তর হল পরিবেশ অধিদপ্তর এবং প্রশাসনিক মন্ত্রণালয় হল পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়। কর্মসূচির মোট ব্যয় ৭ কোটি ৫৮ লক্ষ টাকা এবং বাস্তবায়ন কাল ২০১৫-২০১৭।

কর্মসূচির আওতাভুক্ত কার্যক্রমসমূহ-

জরিপ কার্যক্রম: শব্দদূষণ পরিস্থিতি নির্ণয়ের উদ্দেশ্যে সাতটি বিভাগীয় শহরে সম্পাদিত হবে। এ উদ্দেশ্যে বিধিমালা নির্দেশিত পাঁচটি জোনে জরিপ কার্যক্রমের আওতায় ৬৪৫ টি স্থানে শব্দের পরিমাপ, ৬৪৫ টি স্থানে শব্দের উৎস ও কারণ অনুসন্ধানে পর্যবেক্ষণ, ১৯৩৫০ জনের মাঝে মতামত জরিপ, সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ ও অংশীদারদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ ও প্রতিবেদন প্রণয়ন করা হবে।

সচেতনতা ও প্রচারণামূলক কার্যক্রম: এর মধ্যে রয়েছে টেলিভিশনে শব্দ সচেতনতার ওপর সাপ্তাহিক অনুষ্ঠান প্রচার, ৫টি টিভিসি নির্মাণ ও ৫টি টিভি চ্যানেলে প্রচার, নীতিনির্ধারক, সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা ও অন্যান্য অংশীদারদের নিয়ে সেমিনার, মতবিনিময় সভা এবং কর্মশালা আয়োজন করা, আন্তর্জাতিক শব্দ সচেতনতা দিবস উদযাপন, বেতারে বার্তা প্রচার, লিফলেট ও স্টিকার বিতরণ।

প্রশিক্ষণ কার্যক্রম: এতে রয়েছে প্রশিক্ষণ মডিউল তৈরি এবং ঢাকা মহানগরসহ সাতটি বিভাগে ১৯,৯০৫ থেকে ২০,৮৫০ জনকে প্রশিক্ষণ প্রদান। মোট ১১টি প্রশিক্ষণ। এর জন্য নির্ধারিত প্রতিষ্ঠানগুলো হল:

  • বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ও পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের ৪৮০-৫২০ জনকে প্রশিক্ষণ প্রদান (৮ টি প্রশিক্ষণ)
  • ট্রাফিক পুলিশ ও পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মচারিদের ৪৮০-৫২০ জনকে প্রশিক্ষণ প্রদান (৮ টি প্রশিক্ষণ)
  • গাড়ি চালকদের প্রশিক্ষণের জন্য ১৫০ জন প্রশিক্ষককে প্রশিক্ষণ প্রদান (৩ টি প্রশিক্ষণ)
  • গাড়ি চালকদের প্রশিক্ষণের জন্য ৩৭৯৫-৩৯১০ জনকে প্রশিক্ষণ প্রদান (২৩ টি প্রশিক্ষণ)
  • ১৫,০০০-১৫,৭৫০ জন স্কুল শিক্ষার্থীকে প্রশিক্ষণ প্রদান (৭৫টি প্রশিক্ষণ)

নয়েজ লেভেল মিটার সংগ্রহ: ২০০ টি নয়েজ লেভেল মিটার সংগৃহীত হবে। পরিবেশ অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) শব্দের মানমাত্রা পরীবিক্ষণের জন্য এ যন্ত্র ব্যবহার করবে।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনা

অধ্যাপক প্রাণ গোপাল দত্ত, প্রাক্তন উপাচার্য, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, মূল প্রবন্ধে বলেন, বায়ু দূষণ, শব্দ দূষণ, পানি দূষণ, তেজস্ক্রিয়তা সব মিলিয়ে পরিবেশ দূষণ। এসকল দূষণ রোধে কাজ করা পরিবেশ অধিদপ্তরের কাজ। আমাদের দেশের আইনগুলোর মতো সুন্দর আর কোন দেশের আইন নয়। তবে আইনের প্রয়োগ সুনিশ্চিত করা প্রয়োজন। আইনের প্রয়োগের জন্য জরুরী হচ্ছে শিক্ষা। কাজেই সবাইকে শিক্ষিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ণ।

শব্দদূষণ মূলত পদার্থ বিজ্ঞান এবং চিকিৎসা বিজ্ঞান এর সমন্বয়। শব্দ যোগাযোগের একটি মাধ্যম। আবার যুদ্ধক্ষেত্রেও শব্দের ভূমিকা রয়েছে। মাত্রাতিরিক্ত শব্দ হলে সেটাই দূষণ। বর্তমানে মোবাইল ফোনের কারণে শব্দদূষণ বেড়ে গেছে।

শব্দ মূলত সংকোচন এবং বিরলীকরণের মাধ্যমে বিস্তার লাভ করে। শব্দের পরিমাপযোগ্য গুণগুলো হল: কম্পাঙ্ক, তীব্রতা এবং বেগ। এর বৈশিষ্ট্যের মধ্যে রয়েছে: পিচ (শব্দের শ্রুতিমাধুর্য), টিম্বার (শব্দের গুণগত মান), ডিউরেশন (কতক্ষণ শব্দ হচ্ছে), লাউডনেস (শব্দের তীব্রতা)। যখনই শব্দ স্বাভাবিক মাত্রা অতিক্রম করে তখনই তা দূষণে পরিণত হয়। শব্দদূষণ কেবল কানে শোনার ক্ষমতা হ্রাস নয়, মানুষের মস্তিষ্ক ক্ষতিগ্রস্ত করে। শব্দের তীব্রতা ১৩০ ডেসিবেল হলে তা অসহনীয় হয়ে ওঠে।

১৯৮৬ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ৩৯ তম ওয়ার্ল্ড এ্যাসেম্বলিতে শব্দের মাত্রা অনুযায়ী ক্ষতিপূরণের মাত্রা নির্ধারণ করে দেয়। তাদের মতে, স্বাভাবিক মাত্রা ০-২০ ডেসিবেল, মৃদু মাত্রা ২১-৪০ ডেসিবেল, মাঝারি/সহনীয় মাত্রা ৪১-৭০ ডেসিবেল, তীব্র মাত্রা ৭১-৯০ ডেসিবেল, অসহনীয় মাত্রা ৯১-১২০ ডেসিবেল। এতে আমেরিকান বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠান ক্ষতিপূরণের মাত্রা বেশি হওয়ায় ক্ষিপ্ত হয় এবং তারা একটি পৃথক মানমাত্রা তৈরি করে। আন্তর্জাতিক পরিবেশ সংরক্ষণ আইনে বলা আছে ১ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে প্রজাপতি মারা গেলে তার জন্যও ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। শ্রমিকদের ৮০-৯০ ডেসিবেলে ৮ ঘন্টা কাজ করা গ্রহণযোগ্য। প্রতি ৫ ডেসিবেল বাড়ার সাথে সাথে কর্মঘন্টা অর্ধেক হবে। এভাবে ১১৫ ডেসিবেলের ঊর্ধে একজন শ্রমিক ১৫ মিনিট কাজ করবেন।

শব্দদূষণ একটি বড় সমস্যা। যখনই শব্দ বিরক্তিকর এবং ক্ষতিকর হয় তখনই তা দূষণের পর্যায়ে চলে যায়। শব্দদূষণজনিত বধিরতা একটি ব্যাপক পেশাগত স্বাস্থ্য সমস্যা। শব্দদূষণজনিত বধিরতা এতটাই ধীরে ধীরে সংঘটিত হয় যে প্রায় বোঝাই যায় না, কিন্তু এর ক্ষতি চিরস্থায়ী। শব্দদূষণের ফলে শ্রবণ ক্ষমতা হ্রাসের পাশাপাশি আরো বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়। যেমন- অনিদ্রা, মনোযোগের অভাব, ভাবের আদান প্রদানে সমস্যা সৃষ্টি হওয়া, মানসিক চাপ ইত্যাদি।

শ্রবণ শক্তি হ্রাসের প্রক্রিয়াটি ব্যথামুক্ত, শক্তিশালী, চিরস্থায়ী, তবে প্রতিরোধযোগ্য। যে কোন শ্রবণশক্তি সংরক্ষণ প্রোগ্রামে নি¤েœর বিষয়গুলো উপস্থিত থাকা প্রয়োজন:

১. শব্দের মাত্রা তদারকি ২. অডিওমেট্রিক পরীক্ষা করা ৩. যথাযথ শ্রবণশক্তি সংরক্ষণ যন্ত্র নির্বাচন ৪. আক্রান্ত কর্মীদের শিক্ষিত এবং প্রশিক্ষিত করা ৫. নিয়মিত রেকর্ড রাখা

বাজারে বিভিন্ন ধরণের শ্রবণশক্তি সংরক্ষণ যন্ত্র পাওয়া যায়। এগুলোর ব্যবহার উৎসাহিত করা যেতে পারে। শব্দ দূষণের মাত্রা কমিয়ে আনার জন্য আন্তর্জাতিক বিভিন্ন উদাহরণ অনুসরণ করা যেতে পারে। পরিবেশ অধিদপ্তর শব্দ দূষণের বিভিন্ন ক্ষতিকর দিকগুলো তুলে ধরে করণীয় বিষয়ে প্রচারণামূলক কার্যক্রম চালাতে পারে। শব্দদূষণ প্রতিরোধের দিকে জোর দিতে হবে। পাশাপাশি জনগণকে এর সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে হবে এবং সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে।

উপস্থাপনা শেষে সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর এবং মতামত প্রদান পর্বের উল্লিখিত বিষয়সমূহ:

প্রশ্ন: শব্দের কারণে কানে শোনার শ্রবণশক্তিজনিত সমস্যা হলে পরবর্তী সময়ে শব্দদূষণ এড়িয়ে চললে শ্রবণশক্তি আগের মত হবে নাকি ক্ষতি স্থায়ী হয়ে যাবে?

উত্তর: যদি শ্রবণক্ষমতা তীব্র মাত্রায় অর্থাৎ ৭১-৯০ ডেসিবেলে নষ্ট হয়, তবে এটা ফিরিয়ে আনা যায় না। তবু আমরা চেষ্টা করি। শব্দ থেকে দূরে রেখে, ¯œায়ু শক্তিশালী করার ওষুধ দিয়ে চেষ্টা করি। কিছুটা হয়তো ঠিক হয়। অসহনীয় মাত্রায় হলে আর কোন ভাবেই ঠিক হয়না। তখন শ্রবণ যন্ত্রও কাজ করেনা।

প্রশ্ন: মোবাইলে কতটা সময় কথা বলা হলে তা ক্ষতিকর নয়?

উত্তর: ২০ সেকেন্ড। আর যদি ৩ মিনিট কথা বলেন তাহলে ২০ মিনিট বিরতি দিয়ে আবার কথা বলবেন। কারণ এর বেশি সময় মোবাইলে কথা বললে মস্তিষ্কের তাপমাত্রা বেড়ে যায়।

মতামত: আমরা শব্দ দূষণের বিরুদ্ধে অনেক দিন থেকে আন্দোলন করছি। আইনের প্রয়োগ তেমন লক্ষ্য করা যায় না। ডা. প্রাণ গোপাল দত্তের মত আরো মানুষ তৈরি করা প্রয়োজন যারা এ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করবেন।

ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত: শিক্ষার ওপর জোর দিতে হবে। শিক্ষা সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ।

প্রশ্ন: মোবাইলের রেডিয়েশন শ্রবণশক্তি হ্রাস ছাড়া মস্তিষ্কের আর কি ক্ষতি সাধন করে?

উত্তর: ২০ মিনিট কথা বললে মস্তিষ্কের তাপমাত্রা ১০২ ডিগ্রী ফারেনহাইট বেড়ে যায়। মোবাইলের রেডিয়েশনের কারণে অটিজমের মাত্রা বেড়ে গেছে। বিশ্বে এটা ছিল ১:২১২, বর্তমানে ১:৮৮, কোরিয়াতে ১:৩৭। আল্ট্রা সাউন্ড এবং মোবাইলের রশ্মি এর জন্য দায়ী। মোবাইলের যে অভ্যাসগত ব্যবহার তা পরিবর্তন করা প্রয়োজন।

প্রশ্ন: শব্দ আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ। উন্নয়নের সঙ্গে শব্দের সম্পৃক্ততা কি ধরণের হওয়া উচিত?

উত্তর: শিল্পায়ন খাতটি যাতে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা বা প্ররোচনা না করে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। লাভের প্রলোভনে শব্দদূষণের দিকে, স্বাস্থ্যের দিকে লক্ষ্য করা হয় না। রাষ্ট্র এবং জনগণের মধ্যে সমঝোতা প্রয়োজন।

প্রশ্ন: রেডিয়েশন ছাড়া অন্য শব্দ গর্ভের শিশুর ক্ষতি করে কি না এবং কিভাবে?

উত্তর: বাজির আওয়াজে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে গাইনি ওয়ার্ডে সময়ের আগেই বাচ্চা জন্ম হওয়ার উদাহরণ আছে। বাজির আওয়াজে মা চমকে ওঠর কারণে এ ঘটনাটি ঘটে। এরপর চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে আইন করা হয় কোন অনুষ্ঠানে বাজি ফোটানো যাবে না।

প্রশ্ন: ইমারজেন্সি হর্নের ব্যবহার সীমিত করা প্রয়োজন।

উত্তর: ব্যক্তি পর্যায় থেকে সচেতনতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।

প্রশ্ন: জেনারেটরের কারণে ক্ষতির বিষয়ে মতামত কি?

উত্তর: শুধু শব্দ দূষণ নয় আরো স্বাস্থ্যগত ক্ষতি হয়। যারা কাছাকাছি থাকছে তাদের ক্ষতি হচ্ছে। এখানে ১০১ ডেসিবেলের বেশি শব্দ উৎপন্ন হয়।

মতামত: বিজ্ঞানসম্মত প্রেজেন্টেশনের জন্য ধন্যবাদ ড প্রাণগোপাল দত্তকে। এ সমস্যাটি একবারেই পরিবর্তন হবে না। ক্রমান্বয়ে অভ্যাস পরিবর্তনের মাধ্যমে করতে হবে। নিজের ড্রাইভারদের সচেতন করতে হবে। সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। সকলের মধ্যে শব্দ দূষণের বিরুদ্ধে আত্মোপলব্ধি থাকতে হবে। একক উদ্যোগে সম্ভব হবে না।

প্রশ্নোত্তর এবং মতামত প্রদান পর্বে যারা অংশগ্রহণ করেন:

  • মো সালাউদ্দিন চৌধুরী, পরিচালক, পরিবেশ অধিদপ্তর, সিলেট
  • মিহির বিশ্বাস, যুগ্ম সম্পাদক, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন
  • রুকসানা তারান্নুম, সিনিয়র সহকারি সচিব, পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়
  • আমিনুর রসুল, সদস্য সচিব, উন্নয়ন ধারা ট্রাস্ট
  • সুশান্ত সিনহা, সংবাদকর্মী, যমুনা টেলিভিশন
  • সাবেক মহাপরিচালক, পরিবেশ অধিদপ্তর


Farid Ahmed 

Designation: Program Director

Program Director: শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশীদারিত্বমূলক কর্মসূচি
Phone: +88-02-8181775
Email: farid@doe.gov.bd